আজ-  ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» মৌলভীবাজারের উলুয়াইল ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসায় ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে আলিম জামাতে ভর্তি চলছে। «» নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের অভিষেক সম্পন্ন হয়েছে। «» ‎ঈদে মীলাদুন্নবী সা. উপলক্ষ্যে আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার ‘মুবারক র‌্যালি’ সম্পন্ন : সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ «» শেরপুর ফাঁড়ি পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক-৪ «» মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর অভিযানে ২০ লিটার চোলাইমদসহ গ্রেপ্তার-১ «» মৌলভীবাজারেতমদ্দুন মজলিসের ৭৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত «» সান্তাহার পৌর বিএনপির উদ্যোগে ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত «» চলন্ত ট্রেনে নারী যাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষন ক্যান্টিন বয় গ্রেফতার  «» TIB Calls the Implementation of a New Pay Structure Approved by the Cabinet for «» মৌলভীবাজারে নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা-২০২৬ এর উদ্বোধন

অব্যাহতির প্রতিবাদে তাজুর সংবাদ সম্মেলন, এমপির ঘনিষ্ঠদের নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ




সৈয়দ ছায়েদ আহমদ, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দলটির নেতা মো. তাজ উদ্দিন তাজু।

তিনি অভিযোগ করেছেন, দলীয় বিষয় ও ব্যক্তিগত দেনা-পাওনা নিয়ে সংসদ সদস্য হাজি মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে মতবিরোধের জেরে তাকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাজু দাবি করেন, তাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ না দিয়েই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটিও তাকে জানানো হয়নি।

তাজু বলেন, গত ১৩ আগস্ট তাকে ছাড়াই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ১৬ আগস্ট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাকে যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

তিনি দাবি করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে পর্যন্ত সংসদ সদস্য হাজি মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয় ছিলেন। নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে দলীয় কিছু বিষয় ও ব্যক্তিগত আর্থিক দেনা-পাওনা নিয়ে মতবিরোধের পর থেকেই তাকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা হয়।

নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তাজু বলেন, ২০০৬ সালে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৭২০ দিন কারাবরণ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তাজু আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে একটি পক্ষকে নিয়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তার ভাষ্য, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির ইফতার মাহফিলে যারা হামলা-মামলা ও নির্যাতন করেছে, তাদেরই এখন সংসদ সদস্যের চারপাশে দেখা যাচ্ছে।”

তিনি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে নিজের অব্যাহতির সিদ্ধান্তকে অন্যায় ও অগঠনতান্ত্রিক দাবি করে তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান জেলা বিএনপির প্রতি।

তাজুর অভিযোগের বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য হাজি মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার পিএস জানান, তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসংক্রান্ত কাজে সংসদে ব্যস্ত রয়েছেন। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরে আলম সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।